আরও দেখুন
শুক্রবার GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের এমন কিছু মুভমেন্ট দেখা গেছে যা ট্রেডাররা স্বাভাবিকভাবে আশা করেননি। বিষয়টি বেশ সহজ। সাধারণত, নন-ফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের যদি শক্তিশালী ফলাফল (পূর্বাভাসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বা পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি) দেখা যায়, তাহলে মার্কিন ডলারের দর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার কথা। আবার প্রতিবেদনটির ফলাফল দুর্বল হলে মার্কিন ডলারের দরপতনের সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এর কোনোটিই ঘটেনি। নন-ফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের ফলাফল সবচেয়ে আশাবাদী পূর্বাভাসের চেয়েও তিনগুণ বেশি ছিল; তা সত্ত্বেও মার্কিন ডলারের দর মাত্র 50 পিপসের মতো শক্তিশালী হয়েছিল এবং দিনের শেষ নাগাদ সেই অর্জিত বৃদ্ধির বেশিরভাগই বিলীন হয়ে যায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে, মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির সব ধরনের যৌক্তিক কারণ থাকা সত্ত্বেও তা বৃদ্ধি পায়নি এবং এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনের প্রতি ট্রেডারদের প্রতিক্রিয়া বেশ দুর্বল ছিল। মূল বিষয়টি হলো, আগস্ট মাসের নন-ফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ফেডারেল রিজার্ভ সেপ্টেম্বর মাসে সুদের হার বাড়াবে কি না—ট্রেডাররা এখনও সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। একদিকে প্রতিবেদনটির ফলাফল শক্তিশালী ছিল, অন্যদিকে এটি কেবল একটি নির্দিষ্ট সময়ের প্রতিবেদন মাত্র।
শুক্রবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে কোনো ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়নি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর মার্কিন সেশনে এই কারেন্সি পেয়ারের মূল্য 1.3456–1.3476 এরিয়ার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারলেও, মাত্র 5 পিপসের ব্যবধানে তা স্পর্শ করতে ব্যর্থ হয়। ফলে, নতুন ট্রেডাররা ট্রেড ওপেন করার মতো কোনো সুযোগ পায়নি।
ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা শুরু হয়েছে, যা কারেকশন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আমাদের মতে, মধ্যমেয়াদে পাউন্ডকে মূল্য বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত থাকা উচিত, যদিও বর্তমানে কারেকশনের প্রভাবে দরপতন হচ্ছে। সাপ্তাহিক টাইমফ্রেমে এই পেয়ারের মূল্য সাইডওয়েজ চ্যানেলের লোয়ার বাউন্ডারি থেকে আপার বাউন্ডারির দিকে উঠতে শুরু করেছে এবং এই মুভমেন্ট এখনও সম্পন্ন হয়নি। ফলে, আমরা এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকার প্রত্যাশা করছি।
সোমবার, এই পেয়ারের মূল্য 1.3456–1.3476 এরিয়ার নিচে স্থিতিশীল হলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3380–1.3386-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। অন্যদিকে এই পেয়ারের মূল্য 1.3456–1.3476 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে লং পজিশন ওপেন করা যেতে পারে, যেখানে মূল্যের 1.3587-1.3598-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3259–1.3267, 1.3319–1.3331, 1.3380–1.3386, 1.3456–1.3476, 1.3587–1.3598, 1.3631–1.3641, 1.3695, 1.3741। সোমবার যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে না বা কোনো ইভেন্টও নির্ধারিত নেই। তাই নতুন সপ্তাহের প্রথম দিনের ট্রেডিংয়ে আমরা মার্কেটে শক্তিশালী মুভমেন্টের আশা করছি না।
নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।